সম্পত্তি ভাগের বিষয়ে ১ জন পুরুষ = ২জন নারী

সম্পত্তি ভাগের বিষয়ে ১ জন পুরুষ = ২জন নারী! (সুরা ৪:১১) এটাকে কি সমঅধিকার বলে?

জবাব:

নারী পুরুষ কি সমান সব ক্ষেত্রে?মেয়েদের জন্য maternity leave আছে।ছেলেদেরতো নেই।দুজনি চাকরি করে,অথচ একজন অনন্যের সমান বেতন পায় কয়েক মাস কাজ না করেও।মেয়েদের জন্য বাস এ সংরক্ষিত আসন,অথচ ছেলেদের জন্য?স্কুলে,কলেজে তাদের জন্য আলাদা common room কেন?এগুলি কি দুজনকে সমান করলো?বিভিন্ন tournament এ ছেলেমেয়েদের আলাদা group কেন?নারী পুরুষ তো সমান হবার কথা।

আমি মনে করি উপরের এই বিভাজন সঠিক।দুজনের কর্মক্ষেত্র আলাদা,দায়দায়িত্ব আলাদা।

পুরুষ সম্পত্তি বেশী পায়।কারন:
১।নারীর সারা জীবনের যত আর্থিক দায় সব পুরুষের।
২।নারীকে বিয়ের সময় পুরুষ মোহরানা দেয়।
৩।পুরুষকে উপার্জন করে নারীর ভরনপোষনের ব্যবস্থা করতে হয়।
৪।নারী যদি কিছু উপার্জন করে,সেখানে পুরুষের কোন অধিকার নেই।

দেখা যায় পুরুষের দায়িত্ব অনেক।তার খরচের খাতও অনেক। তাই তাকে সম্পত্তিতে নারীর চাইতে বেশি দেয়া হল।কিন্তু নারীর যেহেতু খরচ কম,তাই তার অংশ কম।

নারী-পুরুষ সম্পত্তিতে সমান অধিকার হলে,যে বিষয় গুলো ঘটবে:-
💦 নারীরা বিয়ের সময় স্বামীর কাছ থেকে কোন মোহরানা পাবে না।
💦নারীরা ভরন-পোষন এর নামে, স্বামী থেকে কোন অর্থ পাবে না।
💦সংসারের সকল খরচ ৫০%-৫০% করে স্বামী স্ত্রী ভাগ করে দিতে হবে।
💦বিয়েতে যত খরচ হবে,তা নারী-পুরুষ সমান ভাগে দিতে হবে।
💦 সন্তান হলে,তাদের সকল সকল অর্থনৈতিক দায়িত্ব, পিতা-মাতাকে ৫০%-৫০% করে নিতে হবে।
💦ছোট ভাই বোনের দায়িত্ব, নারী পুরুষ সমান ভাগে নিতে হবে।
💦বৃদ্ধ পিতা মাতার সকল দায়িত্ব নারী-পুরুষকে সমান ভাগে ভাগ করে নিতে হবে।
💦নারীরা তালাকে পর,স্বামী থেকে কোন কিছুই পাবে না।
💦তালাকের পর নারীরা,ভাইয়ের কাছ থেকে কিছুই পাবে না।