কুরআনকে ‘সমকামি-বান্ধব’ করা হয়েছে!

সুরক্ষিত মোতিসদৃশ কিশোররা তাদের সেবায় ঘুরাফেরা করবে। (৫২:২৪)

তাদের কাছে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোরেরা। (৫৬:১৭)

এটা জান্নাতস্থিত ‘সালসাবীল’ নামক একটি ঝরণা। তাদের কাছে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোরগণ। আপনি তাদেরকে দেখে মনে করবেন যেন বিক্ষিপ্ত মনি-মুক্তা। (৭৬:১৮-১৯)

কুরআনকে ‘সমকামি-বান্ধব’ করা হয়েছে।

জবাব :

প্রথমত, কুরআনের এই আয়াতগুলোতে জান্নাতবাসীদের কথা বলা হয়েছে। ইসলামে পার্থিব জীবন আর জান্নাতের জীবন এক নয়। ফলে এখানে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অজ্ঞ পাঠকদেরকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, কুরআনের এই আয়াতগুলোর কোথাও সমকামিতা সম্পর্কে ন্যূনতম ইঙ্গিতও নাই। বলা হচ্ছে জান্নাতবাসীদের সেবায় সুরক্ষিত মোতিসদৃশ কিশোররা ঘুরাফেরা করবে। তার মানে কী করে প্রমাণ হলো যে তারা সমকামি? স্টার হোটেলগুলোতে সুন্দর পোশাক পরিহিত বয়’রা সেবার জন্য ঘুরাফেরা করে মানেই কি তারা সমকামি? এই ধরণের উন্মাদমার্কা ‘যুক্তি’ দিয়ে বিজ্ঞানের নামে মস্তকধোলাই করতে পারলেও যুক্তিবাদী কাউকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব নয়।

৭৬:১৯ তাদের কাছে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোরগণ। আপনি তাদেরকে দেখে মনে করবেন যেন বিক্ষিপ্ত মনি-মুক্তা।

ইসলাম বিদ্বেষীদের সবচেয়ে ঘৃণ্য ও নিন্দনীয় আক্রমনের লক্ষ্য হলো এই আয়াতটি , যা তাদের অসুস্থ সমকামী যৌণকামনার বহিঃপ্রকাশ। চোখের সামনে নিজের বা পরের ছোট বাচ্চা কিশোর ঘুরঘুর করতে দেখে ও তাদের সাথে (যৌণতা মুক্ত) খেলা করে আনন্দ পায় না এমন লোক খুজে পাওয়া দুষ্কর। সিরিয়াল খুনী ও নিজের বাচ্চাকে আদর করে , ভালবাসে।

মনে রাখা দরকার , বেহেশতে যেহেতু নুতন বাচ্চা জন্ম নেবে না , সেকারনে কিশোর সঙ্গের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হওয়ার জন্যই এই ব্যাবস্থা।